
রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়ে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিনে ভ্যাট দিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার জিতেছেন চট্টগ্রামের দুইজন। ৮ টাকা ৭৯ পয়সা ভ্যাট দিয়ে দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৫০ হাজার টাকা জিতেছেন নগরের পাঁচলাইশের বাসিন্দা আশিকুর রহমান। অপরদিকে ৭৪ টাকা ভ্যাট পরিশোধে তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার জিতেছেন সাতকানিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
রোববার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট চট্টগ্রামের কমিশনার মোহাম্মদ আকবর হোসেন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের চেক হস্তান্তর করেন।
এ সময় মোহাম্মদ আকবর হোসেন বলেন, ইএফডি বিষয়ে ব্যবসায়ী ও ভোক্তার সচেতনতা বাড়াতে নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট চট্টগ্রাম। ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি ক্রিকেট সেলিব্রেটি আকরাম খানকে দিয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা ও প্রমিত বাংলায় ইএফডি’র প্রচারনামূলক পোস্টার এখন চট্টগ্রাম শহরের আনাচে-কানাচে দেখা যায়।
তিনি বলেন, ইএফডি চালান ইস্যু করে ব্যবসায়ীরা সুনাগরিকের দায়িত্ব পালন করছেন। জনগণ সচেতন হয়ে ইএফডি চালান সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে একদিকে যেমন নিজেদের দেয়া মূসক সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করছেন, অন্যদিকে লটারি বিজয়ী হয়ে পুরস্কার জিতে নিচ্ছেন।
জানা যায়, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ইতোপূর্বে স্থাপিত ৫২০টি মেশিনের পাশাপাশি আরও মেশিন স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি ইএফডি মেশিন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে অনলাইনে সংযুক্ত রয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের প্রদত্ত ভ্যাট সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান নিশ্চিত হচ্ছে। ক্রেতা বা ভ্যাটদাতাদের উৎসাহিত করতে প্রতি মাসের ৫ তারিখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি বিশেষ লটারির আয়োজন করেছে। এ লটারিতে ১০১টি পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।