শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল এক বিপ্লব: এ্যানি

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি »

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান-এর খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি বিপ্লব। তবে সেই বিপ্লব আজও সমাপ্ত হয়নি। এটি যদি তাঁর দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনার আলোকে বাস্তবায়িত হতো, তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত।’

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনের আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী পর্যন্ত ১২ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সি-খাল পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লব মাঝপথে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন এ নিয়ে কোনো চর্চা ছিল না, তবে এখন আবার তা শুরু হয়েছে। অসমাপ্ত এই কাজ তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সম্পন্ন হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যত বাধা-বিপত্তিই থাকুক, কোনো কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। খাল খালের গতিতে চলবে, প্রবাহ থাকবে স্বাভাবিক। এটি জনগণের চাওয়া, জনগণের পাওয়া।’

খাল দখল ও দূষণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘খাল খনন করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, অনেক জায়গায় খালের মাঝখানে দোকান ও বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে। যদি স্বনির্ভর বাংলাদেশের কাজ অব্যাহত থাকত, তাহলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। কলকারখানার বর্জ্য কিংবা বাসাবাড়ির ড্রেন খালে পড়ত না।’

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-1 আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে সর্বশেষ খনন করা সি-খালটি পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে সদর উপজেলার হামছাদী এবং রায়পুর উপজেলার বামনীসহ চারটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি কাজে সরাসরি সুফল পাবেন।

 

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/জাকির

শেয়ার করুন »

Comments are closed.