শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাণীনগরের তরুণ উদ্যোক্তা সম্রাট দেখিয়ে দিয়েছেন—অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর সঠিক পরিকল্পনা থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি »

যে ছোট্ট বাগানটি একসময় ছিল ঝোপঝাড়ে ঢাকা, পরিত্যক্ত ও অনাবাদী, আজ সেটিই পরিণত হয়েছে সবুজে ঘেরা এক সম্ভাবনার খামারে। যেখানে একসময় ছিল না কোনো প্রাণের স্পন্দন, সেখানে এখন দোল খাচ্ছে টমেটো, বেগুন, পেপে ও লেবুর গাছ। পাশাপাশি লাল শাকসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির চাষ করে প্রতিদিনই ফলনের আনন্দ পাচ্ছেন সম্রাট।

নিজের উদ্যোগ আর কঠোর পরিশ্রমকে পুঁজি করে সম্রাট বদলে দিয়েছেন জমির চেহারা। তবে তিনি একা নন—রানীনগর উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা ও নিয়মিত তদারকি তাঁর পথচলাকে করেছে আরও সহজ ও সফল। কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মেনে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় ফলন বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ, একই সঙ্গে কমেছে উৎপাদন ব্যয়।

উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এমন তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ অব্যাহত থাকবে।

সম্রাটের এই উদ্যোগ এখন রানীনগর এলাকায় নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। অনেক তরুণ তাঁর সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কৃষিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার কথা ভাবছেন। পরিত্যক্ত জমিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে সম্রাট প্রমাণ করেছেন—সঠিক দিকনির্দেশনা, আন্তরিক প্রচেষ্টা ও দৃঢ় মানসিকতা থাকলে কৃষিই হতে পারে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের শক্ত ভিত্তি।

 

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/মুন্না

শেয়ার করুন »

Comments are closed.