
গত ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৮, নওগাঁ-৩ আসনে বিপুল পরিমান ভোট পেয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন দু:সময়ের নেতা খ্যাত ফজলে হুদা বাবুল। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই আসনের সাধারণ মানুষ, স্থানীয় নেতা কর্মী, নওগাঁ জেলার বাকি সংসদীয় আসনসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মাধ্যমে এমপি ফজলে হুদা বাবুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখার দাবি জানিয়েছেন জনগণ।
জানা যায়, জনগণ জনাব ফজলে হুদা বাবুলের মন্ত্রীত্ব প্রাপ্তির যৌক্তিকতা হিসেবে তুলে ধরেছেন তার বিশাল জনসমর্থন, দীর্ঘ ১৫ বছর দলীয় দুঃসময়ে নিজ অর্থ ও শ্রমে সংগঠনকে সক্রিয় ও সুসংগঠিত রাখা, উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী, বিটিভির আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ বিতর্কিক; দেশ-বিদেশে পেশাগত অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, ২৫ বছরের লজিস্টিকস অভিজ্ঞতা – জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লজিস্টিকস খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা; অবকাঠামো, সরবরাহ ব্যবস্থা ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় বাস্তব জ্ঞান, কৃষিনির্ভর জেলার প্রতিনিধি – দেশের অন্যতম বৃহৎ ধান উৎপাদনকারী জেলার প্রতিনিধি হিসেবে কৃষকবান্ধব নীতি প্রণয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা, মেধা ও পরিশ্রমের উত্থান – মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে নিজ যোগ্যতায় জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বে আসা, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকা। এমনই আরও বিভিন্ন গুণ, যোগ্যতা এবং যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেছেন সর্বস্তরের জনগণ।
নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল বলেন , “এই জয় আসলে আমার নয়, বিএনপির নেতাকর্মী, তারেক রহমান এবং ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ত্যাগের ও গণতন্ত্রের জয়। বিএনপি জানে কিভাবে সরকার গঠন করতে হয়, দেশ চালাতে হয়। দলের নীতিনির্ধারক ও তারেক রহমান মন্ত্রীত্ব দেওয়ার বিষয়ে যে সিন্ধান্ত নিবে সেটাই চুড়ান্ত। তবে আমাকে মন্ত্রী করা হলে মেধা-প্রঙ্গা দিয়ে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবো।”
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, “নওগাঁ জেলায় এর আগে ডেপুটিস্পিকার, মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও হুইপ ছিলো। কৃষি ও আমে আমরা সারা বিশ্ব এখন পরিচিত। সেই হিসেবে নওগাঁ একটি মন্ত্রীর পাশাপাশি উপমন্ত্রী,ডেপুটিস্পিকার অথবা হুইপ দিবেন আশা করছি। আর ফজলে হুদা উচ্চ শিক্ষিত ছেলে। একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সিও ছিল। তার অভিজ্ঞতা বিবেচনা করবেন । ফজলে হুদা মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা নওগাঁ জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি সারাদেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই তারেক রহমান তাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে দলীয় ও এলাকাবাসী ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীর প্রত্যাশা পুরুন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।”
জাগো সংবাদ/আরাফাত/সিজান