ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে সারাদেশে একযোগে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিশাল প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বহর নির্বাচনি এলাকাগুলোতে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ এবং নিরপেক্ষ করতে নজিরবিহীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার এবং সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে রায় প্রদানের লক্ষ্যে ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা মোট ৫ দিনের জন্য নির্বাচনি মাঠে থাকবেন। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ দায়িত্ব পালন চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বিশেষ করে ভোটের আগে-পরে দুই দিন এবং ভোটের দিন তারা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবেন।
অন্যদিকে, আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছেন। এর পাশাপাশি রিটার্নিং অফিসারদের চাহিদা অনুযায়ী স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য আরও ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের মাঠে কাজ করছেন। তারা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন সরাসরি নিরাপত্তার তদারকি করবেন।
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনি এলাকায় কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা বা বেআইনি কর্মকাণ্ড ঘটলে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সাজা প্রদান করতে পারবেন। বিশেষ করে ভোটের দিন গোপন কক্ষে মোবাইল ব্যবহার রোধ, বুথ দখল বা ভোটারদের বাধা প্রদানের মতো ঘটনাগুলো কঠোরভাবে তদারকি করবেন তারা। একটি উৎসবমুখর ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন উপহার দিতে এই বিশাল সংখ্যক বিচারিক ও নির্বাহী কর্মকর্তারা এখন প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন।
জাগো সংবাদ/আরাফাত
সম্পাদক: লিয়াকত আলী
News Bangladesh-a Sister concern of M/S Traders