
টাঙ্গাইলে উপজেলায় এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে অফিস থেকে ফেরার সময় তুলে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার মান-সম্মানের ভয়ে থানা-পুলিশ করতে চাইছেন না।
টাঙ্গাইলের আয়েশা খানম মেমোরিয়াল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৩ টার দিকে ঐ নারীর স্বামী তাকে হাসপাতাল নিয়ে আসেন। হাসপাতাল কতৃপক্ষ পুলিশকে অবগত করতে চাইলে ভুক্তভোগীর স্বামী পুলিশ কেইস করতে মানা করেন। সূত্রে জানা যায়, ধর্ষকরা রাজনৈতিকভাবে এলাকায় বেশ প্রভাবশালী সে কারণে ভুক্তভোগীর স্বামী থানা-পুলিশ করলে উলঠো তাদের হয়রানির শিকার হতে পারে বলে জানান এবং সমাজের লোকজন জানা জানি হলে তার স্ত্রীর আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না বলে হাসপাতাল কতৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সাথে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে চান না বলে জানান। ওই নারী ব্যাংকার উপজেলার আখুর ঠাকুর পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয় টাঙ্গাইল জেলা মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী তাজউদ্দিন রিপন বলেন, আমাদের সমাজে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। কিছু ঘটনা থানা পর্যন্ত গেলেও কিছু দিন পরে তারা আবার জামিনে বেড়িয়ে আসে। তাই অনেক পরিবার তাদের পরিবারের মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে থানা-পুলিশ করতে চায় না। এত করে অপরাধীরা অপরাধ করার প্রবণতা আরও বাড়িয়ে দেয়। এরকম অপরাধের জন্য আইনের মাধ্যমে কঠিন শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যস্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রন করা কঠিক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।