বৃহঃস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেকে ‘অযোগ্য’ বললেন প্রসেনজিৎ

অনলাইন ডেস্ক »

বিনোদন ডেস্ক : ওপার বাংলার দর্শকনন্দিত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শুধু ওপার বাংলাতেই নয় এপার বাংলায়ও তার ভক্তের সংখ্যা কম নয়। দর্শকপ্রিয় এই অভিনেতা হুট করেই নিজেকে ‘অযোগ্য’ বলে বসলেন! কিন্তু কেন?

আসলে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নতুন ছবির নাম ‘অযোগ্য’। সিনেমার ইতিহাসে হয়তো এটাই প্রথম। যেখানে টালিউডের দুই সুপারস্টার তাদের ৫০তম ছবিতে জুটি বাঁধছেন। হ্যাঁ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। যাদের একফ্রেমে আনতে পরিচালকরা সবসময় প্রস্তুত। যাদের একফ্রেমে দেখার জন্য হইচই পড়ে যায় ভক্তদের মধ্যে। সেই জুটিই ফের একসঙ্গে, তাদের ৫০তম ছবিতে। আর এই ম্যাজিক তৈরি করলেন টলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়।

গতবছরই এই সিনেমার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে নববর্ষে মুক্তির দিনক্ষণ জানা গেল। চলতি বছরের ৭ জুন এই ছবি আসছে প্রেক্ষাগৃহে। নতুন পোস্টারে ভেসে উঠল ঝাপসা প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার মুখ।

প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটি মানেই বক্স অফিস বাম্পার। উত্তম-সুচিত্রা জুটির পরই বাংলা সিনেমার দর্শকদের মনে তাদের স্থান। এবার পঞ্চাশতম সিনেমার পালা।

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির সফর শুরু হয়। প্রথম ছবিই ছিল সুপারহিট। তারপর একে একে ‘মায়ার বাঁধন’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘স্বামীর ঘর’, ‘মনের মানুষ’-এর মতো সিনেমার দর্শকদের উপহার দিয়েছেন দুজনে। তবে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ সিনেমার মুক্তির পর বহুদিন একসঙ্গে কাজ করেননি ঋতুপর্ণা আর প্রসেনজিৎ। কিন্তু দুজনের জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। তার প্রমাণ ছিল নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘প্রাক্তন’। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় ‘প্রাক্তন’। আবারও সুপারহিট প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির অনস্ক্রিন রসায়ন।

এই জুটিকে নিয়েই আবার কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় তৈরি করেছিলেন ‘দৃষ্টিকোণ’। আলাদা গল্প, আলাদা চরিত্র। কিন্তু প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির ম্যাজিক ছিল অক্ষুণ্ন। তাতে আবার বাড়তি পাওনা ছিল কৌশিকের পরিচালনা। এই তিন মূর্তিই এবার দর্শকের দরবারে নতুন গল্প নিয়ে আসছেন।

শেয়ার করুন »

Comments are closed.