
জাগো সংবাদ ডেস্ক : মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রনজিৎ কুমার বাড়ৈ গামা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২২ মার্চ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আনিচুর রহমান মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কর্মকর্তা জানান, ঢাকা খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ শহরতলীর মান্দারতলা এলাকায় নিজের প্রতিষ্ঠিত শেখ ফজলুল করিম সেলিম ল’ কলেজের নির্মানাধীন ভবনের দেখাশুনা করতে যান রনজিৎ কুমার বাড়ৈ গামা। বিকাল ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের বাসয় ফেরার পথে মান্দারতলায় দ্রুতগামী অজ্ঞাত একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। সংকটজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। রাতে মরদেহটি ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। যেহেতু দুর্ঘটনাটি মহাসড়কে তাই হাইওয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তারপরও এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করা হয়েছে।
শনিবার গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা আইনজীবী সমিতি ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তারা হাসপাতালে ছুটে যান। শোকসন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর আসনের এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক জিএম শিহাবউদ্দিন আজমসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। এছাড়া জেলা আইনজীবী সমিতের পক্ষ থেকেও গভীর শোক এবং দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট রনজিৎ কুমার বাড়ৈ গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর ছিলেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহাব উদ্দিন আজম জানান, বেপরোয়া গতি মোটরসাইকেল এ দুর্ঘটনার মূল কারণ। তিনি দ্রুত এ বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।