
জাগো সংবাদ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের মধ্যে কোনো ধরনের মতবিরোধ না রাখার নির্দেশনা দিয়ে দলীয় নেতাদের বলেছেন, সবাইকে মিলেমিশে দলের জন্য কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সামনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচন ঘিরে যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে। আমরা দলের কোনো প্রার্থী দিচ্ছি না। অবাধ-সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। যার জনপ্রিয়তা বেশি সে জিতে আসবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দলটির কেন্দ্রীয়, জেলা-উপজেলা এবং সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতা সাক্ষাৎ করেছেন। এর মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আলাদা আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন তারা। এ সময় নেতারা বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়সহ নিজেদের নানা সুবিধা-অসুবিধার কথা নেত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের নেতাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
সাক্ষাত করেছেন রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইসহাক আলী খান পান্না, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, শেখ সোহেল রানা টিপু, এসএম জাকির হোসাইন, যুব মহিলা লীগ সভাপতি ডেইজী সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক শারমীন সুলতানা লিলি প্রমুখ।
এছাড়া এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন হকার্স লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া, নোয়াখালী, কক্সবাজার, নরসিংদী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা, হবিগঞ্জসহ আরও কয়েকটি জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা ।