জাগো সংবাদ ডেস্ক : জমে উঠেছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন উপনির্বাচন। হলফনামা প্রকাশের পর জানা গেছে, প্রার্থীদের বিভিন্ন তথ্য। প্রার্থীদের মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় এগিয়ে আছে তাহসীন বাহার সূচনা। শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলেও আয় ও সম্পদের পরিমাণে এগিয়ে আছেন সাবেক দুবারের মেয়র বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। মামলা বেশি বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সারের। আয় ও সম্পদে সবচেয়ে পিছিয়ে নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া মনিরুল হক সাক্কুর হলফনামা থেকে জানা যায়, সাবেক দুবারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পেশা ব্যবসা ও ঠিকাদারি। এ প্রার্থী এসএসসি পাস। তার বাৎসরিক আয় ৭২ লাখ ৩০ হাজার ৪২৬ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকানসহ অন্যান্য ভাড়া পান ৪২ লাখ ৯২ হাজার ৬৭৬ টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে পান ২ লাখ টাকা। এ ছাড়া তার ব্যবসায়িক আয় ২৭ লাখ ৩৮ হাজার ১৫০ টাকা। তার নগদ, ব্যাংক জমা, বন্ড ও শেয়ার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র মিলিয়ে মোট অস্থাবর সম্পদ আছে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৫ টাকা। কিন্তু তার স্ত্রী আফরোজা জেসমিন টকলির নামে আছে সম্পদের পাহাড়। তার মূল্য টাকার পরিমাণে তিন কোটি ৮১ লাখ ৮৭ হাজার ৬১৪ টাকা। এর বাইরে আছে স্বামী-স্ত্রীর মিলিয়ে ২০ তোলা স্বর্ণ ও দুটি জিপ গাড়ি।
নিজাম উদ্দিন কায়সারের হলফনামা থেকে জানা যায়, নিজাম উদ্দিন কায়সার পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি বি.কম. উত্তীর্ণ। তার চাকরি থেকে বাৎসরিক আয় চার লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা ৩২ লাখ ৪০ হাজার ৩৭ টাকা, ব্যাংকে জমা ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা, বন্ড ৪০ হাজার টাকা, স্বর্ণ ৩০ তোলা, টিভি ও ফ্রিজ ১ লাখ ৯ হাজার টাকা। তাঁর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই।
নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিমের হলফনামা থেকে জানা যায়, নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম বিএ পাস। তার পেশা ব্যবসায়ী। তার ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় চার লাখ পাঁচ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা দুই লাখ টাকা, স্ত্রীর নামে এক লাখ টাকা, ব্যাংকে নিজ নামে ২০ হাজার ও স্ত্রীর নামে ১০ হাজার টাকা আছে। স্ত্রীর ২০ ভরি স্বর্ণ আছে। স্থাবর সম্পদের মধ্যে যৌথ মালিকানায় ৮ শতক জমির মধ্যে তিনি ২ শতকের মালিক। তবে এনআরবিসি ব্যাংকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ আছে।
সম্পাদক: লিয়াকত আলী
News Bangladesh-a Sister concern of M/S Traders