বৃহঃস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যর্থতার পর মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি

অনলাইন ডেস্ক »

অনলাইন ডেস্ক : চলমান বিশ্বকাপে পরাজয়ের বৃত্ত থেকে যেন বের হতেই পারছে না বাংলাদেশ দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করলেও পরে টানা পাঁচ ম্যাচ হেরে কার্যত গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। সেমিফানালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল জয়ের ধারায় ফেরার শেষ সম্বল। কিন্তু সেই আশাও হতাশায় মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে ডাচরা।

এ অবস্থায় টাইগার দলকে নিয়ে নানা প্রান্তেই চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। যদিও বিশ্বকাপ দল ঘোষণার পর থেকেই সাংবাদিকদের ক্যামেরার লেন্সে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নাজমুল হাসান পাপনের। কারণ, একাধিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিল তার নামটাও। অবশেষে সব নীরবতা ভেঙে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন পাপন।

রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে কলকাতার তাজ হোটেলে বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফ ও সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে জরুরি সভায় বসেছিলেন বিসিবি সভাপতি পাপন। সভা থেকে বেরিয়ে পাপন মুখোমুখি হন গণমাধ্যমের। এ সময় দলের এমন পরাজয়ের পর কথা উঠবে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন বিষয়টি। তিনি জানিয়েছেন ক্রিকেটারদের এমন খারাপ সময়ে পাশে আছে বিসিবি।

পারফরম্যান্সের এমন অধারাবাহিকতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাকিবরা। এমনকি গতকাল ইডেনে নেদারল্যান্ডসের কাছে হারের পর সমর্থকরা ভুয়া, ভুয়া স্লোগানে বিদ্রুপ করেন তাদের। পাপন বলেন, ‘মানুষ বোর্ডকে বলবে, কোচিং স্টাফকে বলবে, প্লেয়ারদের বলবে। এটা স্বাভাবিক, এটা নিয়ে বলা উচিত না- এমন কিছু না। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যেহেতু সিরিজ চলছে, টুর্নামেন্ট চলছে, আরও তিনটা ম্যাচ বাকি। আবার এই ম্যাচগুলোতে আহামরি কিছু করতে পারব সেটাও না। তবে আমরা সক্ষম। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এখনও সম্ভব। হারা জেতা বড় কথা না, ভালো ক্রিকেট খেলাটা আসল। আমাদের ব্যাটিং ভালো হচ্ছে না। ‘

ব্যর্থতার পরও দলের কম্বিনেশনে পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ‘এই খারাপ সময়ে ওদের পাশে আমরা আছি। কিসের জন্য আছি? সামনে ওরা যেন ভালো খেলে, সেজন্যে। এই বিশ্বাস ওদের উপরে আছে। আমাদের যে শক্তি সামর্থ্য আছে, এটা নিয়েই লড়তে হবে। আমরা কোনো পরিবর্তন আনতে পারব না। কোনো জায়গায় কোনো পরিবর্তন আনতে পারব না।

শেয়ার করুন »

Comments are closed.