আপিল বিভাগ বলেছেন, দুর্নীতির একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে একাধিক নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। অনুসন্ধান বা তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তিকে একাধিক নোটিশ দেওয়া হলে তাতে দুদক আইন ও বিধির কোনো ব্যতয় হয় না।
দুর্নীতির যথাযথ ও কার্যকর অনুসন্ধান বা তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তিকে একাধিক নোটিশ দেওয়ার এই বিধান অসৎ উদ্দেশ্যে নয়, বরং কমিশনের স্বচ্ছতাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
‘দুদক বনাম আশরাফুল হক’ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন, বিচারপতি মো. বোরহানউদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কৃঞ্চা দেবনাথ। রায়টি লিখেছেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।
আদালত রায়ে বলেছেন, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নোটিশ প্রদান সংক্রান্ত ২০০৪ সালের দুদক আইনের ১৯ ও ২০ ধারা এবং ২০০৭ সালের দুদক বিধিমালার ৬, ৮ ও ১১ বিধিতে এ বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইনের এসব ধারা ও বিধিমালার বিধি পর্যালোচনায় এটা কাঁচের মত পরিস্কার যে দুর্নীতির অনুসন্ধান ও তদন্তের স্বার্থে একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ইস্যুতে একাধিক নোটিশ দেওয়ার এই আইনি প্রক্রিয়া অত্যন্ত সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক। এই একাধিক নোটিশ দেওয়ার ফলে যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান বা তদন্ত চলমান তিনি তার পক্ষে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সঠিকভাবে অভিযোগ খন্ডানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
সম্পাদক: লিয়াকত আলী
News Bangladesh-a Sister concern of M/S Traders