বৃহঃস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুঁজিবাজারে শেয়ার দর সর্বোচ্চ ২ শতাংশ কমতে পারবে

অনলাইন ডেস্ক »

পুঁজিবাজারে চলমান নেতিবাচক পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর কমার সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যা আগামীকাল থেকে কার্যকর। ফলে আজকের ক্লোজিং প্রাইসের উপর ভিত্তি করে কাল সর্বোচ্চ ২ শতাংশ কমতে পারবে।

মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

শেখ শামসুদ্দিন বলেন, শেয়ার দর কমার সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশের নির্দেশনাটি আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইসের সাথে কার্যকর হবে। তবে শেয়ার দর বাড়ার সীমা অপরিবর্তিত থাকবে অর্থাৎ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে বাড়বে। বিএসইসির এই কমিশনার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ২ শতাংশের সীমা তুলে নেয়া হবে।

শেখ শামসুদ্দিন বলেন, সেকেন্ডারি মার্কেটে তারল্য প্রবাহ নিশ্চিতকল্পে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) থেকে আরও ১০০ কোটি টাকা দ্রুত বিনিয়োগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যা আজ থেকেই বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধাবস্থা ও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের একটি জাহাজ পরিত্যক্ত ঘোষণাকে অনেকে বড় করে প্রচার করছেন বলে জানান বিএসইসির এই কমিশনার। যারা বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে। এ জাতীয় ৩৫ জন গুজবকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে কারও গুজবে বিনিয়োগে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে, সেই গুজবের সত্যতা ও প্রভাব কতটুকু, তা যাচাই করার জন্য বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেন তিনি।

সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিবাচক। কিন্তু এখনো অনেক ব্যাংক ওই ফান্ড গঠন করেনি। এছাড়া কেউ কেউ ফান্ড গঠন করলেও তা ব্যবহার করেননি। পুঁজিবাজারে লেনদেনের গতি বাড়াতে ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে কমিশন টি+১ সেটেলমেন্ট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান বিএসইসির কমিশনার। তবে চালুর আগে শেয়ারবাজারে টি+১ সেটেলমেন্টের প্রকৃত অর্থে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা, তা যাচাই করা হবে। কোন ইতিবাচক ফলাফল ছাড়া চালু করতে চাই না।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ভূমিকাটা যেমন হওয়া দরকার ছিল, তা কোম্পানিটির বর্তমান ম্যানেজমেন্ট উপলব্ধি করছেন। আশা করি এই বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটি আগামীতে পুঁজিবাজারে সঠিক ভূমিকা রাখতে পারবে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »