অদ্ভুত এক বাছুরের জন্ম ঘিরে বিজ্ঞান এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের জোর টানাপোড়েন। তিন চক্ষুবিশিষ্ট ওই বাছুরকে শিবরূপে পূজা করছেন অনেকেই। তবে বিজ্ঞানীদের দাবি, এটি জন্মগত ত্রুটি ছাড়া কিছুই না।
ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের রাজনন্দগাঁওতে ঘটেছে এ ঘটনা।
পশ্চিমবঙ্গের সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনন্দগাঁওয়ের এক বাসিন্দার বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা জার্সি গরু ছিল। মকর সংক্রান্তিতে সকাল ৭টা নাগাদ সন্তান জন্ম দেয় সে। তবে বাছুরের জন্মের পরই হতচকিত হয়ে যান প্রায় সকলেই। কারণ, সদ্যোজাত বাছুরের তিনটি চোখ। নাকের ছিদ্রও দু’টি নয়। একেবারে চারটি।
এমন অদ্ভুত দর্শন বাছুরকে নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। গোটা গ্রামে রটে যায় সেকথা। দলে দলে সকলে ভিড় জমাতে থাকেন ওই গরুর মালিকের বাড়িতে। কেউ দেখেন বাছুরকে। কেউ কেউ আবার ছবি তুলেই চলে যান। তবে কেউ কেউ ওই অদ্ভুত দর্শন বাছুরকে ঈশ্বর ভাবতে শুরু করেছেন। তাদের মতে, বাছুরের রূপে শিবই নাকি এসেছেন। তাই বাছুরকেই পুজো করতে শুরু করেছেন সকলে। তাকে উদ্দেশ্য করে ফুল, মালা, নারকেল অর্পণ করছেন। সাধ্যমতো প্রণামীও দিতে ভুলছেন না অন্ধবিশ্বাসীরা।
চিকিৎসকরা জানান, অদ্ভুত দর্শন সদ্যোজাত এই বাছুরটি একেবারেই সুস্থ। কোনওরকম জন্মগত ক্রুটির কারণেই তার তিনটি চোখ এবং নাকের ছিদ্র চারটি। এছাড়া আর কিছুই নয়। তবে চিকিৎসকদের কথায় কান দিতে নারাজ অন্ধবিশ্বাসীরা। আপাতত দেবতার জন্ম ঘিরে সরগরম রাজনন্দগাঁও।
সম্পাদক: লিয়াকত আলী
News Bangladesh-a Sister concern of M/S Traders