আনুষ্ঠানিক উদ্বােধনের চতুর্থ দিন থেকে জমতে শুরু করেছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৬ তম আসর। পহেলা জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেলার উদ্বােধন করেন।
মেলা দেশি বিদেশি সর্বমোট ২৬ টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সময় কম পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানগুলো সঠিক সময়ে তৈরি করতে পারেনি। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেখা গেছে মেলা প্রাঙ্গণে বেশিরভাগ স্টল তৈরি হয়ে গেছে। স্টল গুলোতে শোভা পাচ্ছে বাহারি রকমের বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী। গত ৩ দিনের তুলনায় মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যাও অনেকটা বেশি। এমনি বেড়েছে বেচাকেনা।
জানা গেছে, মেলায় এবার ২২৫টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল, ১৫টি ফুড স্টল দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণের নিরাপত্তার স্বার্থে ২২০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশে দেড় হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বসানো হয়েছে কন্ট্রোল রুম।
পূর্বাচলে মেলা প্রাঙ্গণে রাজধানী থেকে দর্শনার্থী আসা যাওয়ার সুবিধার্থে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বিআরটিসির ৩০টি বাস চলাচল করছে। মেলার ভেতরে প্রবেশ মূল্য ৪০ টাকা, শিশুদের জন্য ২০ টাকা। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে।
হৃদয় বেঙ্গল ব্রেইডেড অ্যান্ড র্যাংগস লিমিটেড স্টলের দোকানী হৃদয় বলেন, গত তিন দিন তেমন লোকসমাগম ছিল না। আজকে থেকে লোকজন অনেকটা বেশি। বেচাকেনাও শুরু হয়েছে।
রাহেলা জুট ক্রাফটের দোকানদার তানজিল আহমেদ বলেন, রাজধানী থেকে এখানকার পরিবেশ অনেক ভালো। সেখানে লোকজন সমাগম বেশি হতো। লোকজন।কেনাকাটার চেয়ে দেখতে আসতো বেশি। তবে এখানে যারা আসে তারা কিছু না কিছু কিনতে আসছে। আশারাখি ৫-৬ দিন পর থেকে পুরোপুরি জমে উঠবে মেলা।
ঢাকা থেকে আসা তাহমিদুল ইসলাম আকাশ বলেন, ঢাকায় মেলায় তেমন ঘুরাফেরার জায়গা ছিলনা। পূর্বাচলে অনেক সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ। তবে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মেলায় আসার রাস্তাটি ভাল থাকলে লোক সমাগম বেশি হতো।
এ ব্যাপারে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, হাতে সময় কম পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানগুলো সঠিক সময় তৈরি করতে পারেনি। তবে আসতে আসতে জমতে শুরু করছে মেলা। আশা করি ৪-৫ দিনের মধ্যে পুরোদমে জমে উঠবে মেলা।
সম্পাদক: লিয়াকত আলী
News Bangladesh-a Sister concern of M/S Traders